আজ রবিবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাবেক মন্ত্রী-এমপিসহ ৪৯ জন বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার, রিমান্ডে ৮

admin
প্রকাশিত অক্টোবর ৩০, ২০২৪, ০৩:২০ অপরাহ্ণ
সাবেক মন্ত্রী-এমপিসহ ৪৯ জন বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার, রিমান্ডে ৮

আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক হেভিওয়েট মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও মেয়রসহসহ ৪৯ আসামিকে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ১৪৪ টি হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও গুমের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে এবং তার আগের কিছু ঘটনায় এসব মামলা হয়।

এদিকে আদালতে হাজিরকৃতদের মধ্যে চার মন্ত্রীসহ ৮ জনের ৪১ দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাদের উপস্থিতিতে গ্রেপ্তার দেখানোর ও রিমান্ড আবেদনের বিষয়ে শুনানি হয়। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফুর রহমান ও মো. ইমরান আহম্মেদের পৃথক দুটি আদালত তাদের এসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ফের কারাগারে পাঠান।

রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন- সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, সাবেক নৌমন্ত্রী শাহাজাহান খান, সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, বহিষ্কৃত সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান, সাবেক সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিম ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত।

গ্রেপ্তার দেখানোর মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন- উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম, সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু, সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মণি, সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) সংস্থার সাবেক পরিচালক কমোডর মনিরুল ইসলাম, সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ, সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুস সোবহান গোলাপ, সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ফারুক খান, সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন, বহিষ্কৃত সেনা অফিসার মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, সাবেক সংসদ সদস্য হাজী সেলিম, নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার, সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া, সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শাসসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খান, সাবেক কাউন্সিলর হাসিবুর রহমান মানিক, সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, বাড্ডা থানা শ্রমিক লীগের সহসভাপতি গোলাম সারোয়ার পিন্টু ও পুলিশের সাবেক ডিসি মশিউর রহমান।

এর মধ্যে আতিকুলকে ১৩ মামলায়, মামুনকে ১৬ মামলায়, কামাল আহম্মেদকে ১২ মামলায়, পলককে ১০ মামলায়, আনিসুলকে ৯ মামলায়, শাহজাহান খানের ৬ মামলায়, সালমান এফ রহমানকে চার মামলায়, দিপু মনিকে পাঁচ মামলায়, মেনন ও রাজ্জাককে তিন মামলায়, ব্যারিস্টার সুমন, সাদেক, হাজী সেলিম এবং জিয়াউলের দুটি করে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

Sharing is caring!